
ফিকহ
ফাতাওয়া তাতারখানিয়া
আল্লামা আলিম ইবনে আলা আল-আনসারী (রহ.)
বিবরণ
ফাতাওয়া তাতারখানিয়া (বা আল-ফাতাওয়া আত-তাতারখানিয়া) হলো হানাফি ফিকহ শাস্ত্রের একটি অত্যন্ত প্রাচীন এবং বিশাল বিশ্বকোষ। এটি মূলত অষ্টম হিজরি শতকের একটি অনন্য সংকলন।
এই কিতাবটি সম্পর্কে মূল তথ্যসমূহ নিচে দেওয়া হলো:
সংকলক: আল্লামা আলিম ইবনে আলা আল-আনসারী (মৃত্যু ৭৮৬ হিজরি)। তিনি তৎকালীন ভারতের বিখ্যাত তুর্কি বংশোদ্ভূত আমির তাতার খান-এর নির্দেশে এবং পৃষ্ঠপোষকতায় এটি সংকলন করেন, যার নামানুসারে কিতাবটির নামকরণ করা হয়েছে।
বিষয়বস্তু: এটি হানাফি মাযহাবের একটি সমন্বিত ফতোয়া গ্রন্থ। লেখক এতে 'মুহিতুল বুরহানি', 'জখিরা' এবং 'খাসানি'-এর মতো প্রাচীন ও নির্ভরযোগ্য কিতাবগুলোর সমস্ত মাসআলা একত্রিত করেছেন।
খণ্ড সংখ্যা: মূল আরবিতে এটি সাধারণত ২০ থেকে ২৩টি বিশাল খণ্ডে সমাপ্ত। আধুনিক মুদ্রণে এর বিন্যাস ভিন্ন হতে পারে।
বৈশিষ্ট্য: এই কিতাবটি বিন্যাসের দিক থেকে অত্যন্ত চমৎকার। এতে কিতাবুল আসলের মাসআলাগুলো আগে আনা হয়েছে, এরপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য নির্ভরযোগ্য কিতাবের উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে। এটি পরবর্তীকালের 'ফাতাওয়া হিন্দিয়া' বা 'ফাতাওয়া শামী'-এর অন্যতম প্রধান উৎস (Source) হিসেবে কাজ করেছে।
মর্যাদা: উচ্চতর ফিকহ ও ফতোয়া গবেষণায় এটি একটি মৌলিক রেফারেন্স। বিশেষ করে বিরল ও জটিল মাসআলাগুলো খুঁজে পেতে মুফতিগণ এই কিতাবের শরণাপন্ন হন।
ভাষা: কিতাবটি উচ্চতর আরবি ভাষায় রচিত। বর্তমানে এর পূর্ণাঙ্গ আরবি সংস্করণ বাজারে পাওয়া যায়, তবে পূর্ণাঙ্গ বাংলা অনুবাদ এখনো সহজলভ্য নয়।
কিতাব পরিচিতি
আল্লামা আলিম ইবনে আলা আল-আনসারী (রহ.)
তামরীন ও মুতালাআ
ফিকহ
২০ খণ্ড
১৪/১/২০২৬

ফিকহ
ফাতাওয়া তাতারখানিয়া
আল্লামা আলিম ইবনে আলা আল-আনসারী (রহ.)
বিবরণ
ফাতাওয়া তাতারখানিয়া (বা আল-ফাতাওয়া আত-তাতারখানিয়া) হলো হানাফি ফিকহ শাস্ত্রের একটি অত্যন্ত প্রাচীন এবং বিশাল বিশ্বকোষ। এটি মূলত অষ্টম হিজরি শতকের একটি অনন্য সংকলন।
এই কিতাবটি সম্পর্কে মূল তথ্যসমূহ নিচে দেওয়া হলো:
সংকলক: আল্লামা আলিম ইবনে আলা আল-আনসারী (মৃত্যু ৭৮৬ হিজরি)। তিনি তৎকালীন ভারতের বিখ্যাত তুর্কি বংশোদ্ভূত আমির তাতার খান-এর নির্দেশে এবং পৃষ্ঠপোষকতায় এটি সংকলন করেন, যার নামানুসারে কিতাবটির নামকরণ করা হয়েছে।
বিষয়বস্তু: এটি হানাফি মাযহাবের একটি সমন্বিত ফতোয়া গ্রন্থ। লেখক এতে 'মুহিতুল বুরহানি', 'জখিরা' এবং 'খাসানি'-এর মতো প্রাচীন ও নির্ভরযোগ্য কিতাবগুলোর সমস্ত মাসআলা একত্রিত করেছেন।
খণ্ড সংখ্যা: মূল আরবিতে এটি সাধারণত ২০ থেকে ২৩টি বিশাল খণ্ডে সমাপ্ত। আধুনিক মুদ্রণে এর বিন্যাস ভিন্ন হতে পারে।
বৈশিষ্ট্য: এই কিতাবটি বিন্যাসের দিক থেকে অত্যন্ত চমৎকার। এতে কিতাবুল আসলের মাসআলাগুলো আগে আনা হয়েছে, এরপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য নির্ভরযোগ্য কিতাবের উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে। এটি পরবর্তীকালের 'ফাতাওয়া হিন্দিয়া' বা 'ফাতাওয়া শামী'-এর অন্যতম প্রধান উৎস (Source) হিসেবে কাজ করেছে।
মর্যাদা: উচ্চতর ফিকহ ও ফতোয়া গবেষণায় এটি একটি মৌলিক রেফারেন্স। বিশেষ করে বিরল ও জটিল মাসআলাগুলো খুঁজে পেতে মুফতিগণ এই কিতাবের শরণাপন্ন হন।
ভাষা: কিতাবটি উচ্চতর আরবি ভাষায় রচিত। বর্তমানে এর পূর্ণাঙ্গ আরবি সংস্করণ বাজারে পাওয়া যায়, তবে পূর্ণাঙ্গ বাংলা অনুবাদ এখনো সহজলভ্য নয়।
কিতাব পরিচিতি
আল্লামা আলিম ইবনে আলা আল-আনসারী (রহ.)
তামরীন ও মুতালাআ
ফিকহ
২০ খণ্ড
১৪/১/২০২৬
সম্পর্কিত কিতাবসমূহ
সব দেখুন
ইমদাদুল ফাতাওয়া
হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী (রহ.)

ফাতাওয়া আলমগিরী (ফাতাওয়া হিন্দিয়া)
মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব আলমগীর রহ.

ফাতাওয়া দারুল উলূম দেওবন্দ
মুফতি আজিজুর রহমান উসমানি রহ.

আহসানুল ফাতাওয়া
মুফতি রশীদ আহমদ লুধিয়ানুভী (রহ.)

সিরাজী ফিল মীরাছ
সিরাজুদ্দিন আস-সাজাওয়ান্দী (রহ.)

আদ-দুররুল মুখতার
ইমাম আল-হাসকাফী (রহ.)
পাঠকের মতামত
এখনো কোনো মতামত নেই
প্রথম মতামত দিন!

