মূল বিষয়বস্তুতে যান
    লেটারহেড
    মুস্তাফতির নাম:শিহাব
    ঠিকানা:শ্যামসিদ্বি বালুর মাঠ, শ্রীণগর,মুন্সিগঞ্জ
    প্রশ্নের বিষয়:—
    প্রসঙ্গ:ছবি
    ফতওয়া নং:FTW-1032
    তারিখ:২৬ অক্টোবর, ২০২৬
    ই-মেইল:info@durus.bd
    প্রশ্ন السؤال

    “হুজুর, নিজের ছবি ডিজাইন করে WhatsApp/Facebook/imo-এর লোগোসহ পোস্ট করা, প্রোফাইল পিকচার হিসেবে দেওয়া এবং মোবাইলে সংরক্ষণ করা—শরিয়তের দৃষ্টিতে জায়েজ হবে কি? এতে কোনো গুনাহ হবে কি?”

    باسْمه تعالى حَامِدًا وَّمُصَلِّيًا وَّمُسَلِّمًا أَمَّا بَعْدُ

    فَالْجَوَابُ وَبِاللهِ التَّوْفِيقُ

    শরীয়তের দৃষ্টিতে প্রাণীর (মানুষ বা জীবজন্তু) ছবি বিনা প্রয়োজনে তোলা, তৈরি করা বা প্রদর্শন করা নাজায়েজ। বর্তমান সময়ের ডিজিটাল ছবি নিয়ে সমকালীন স্কলারদের মাঝে কিছুটা মতভেদ থাকলেও, ভারত উপমহাদেশের শীর্ষস্থানীয় ফিকহবিদ ও মুফতিগণের (যেমন: দারুল উলুম দেওবন্দ, হাটহাজারী ইত্যাদি) সর্বসম্মত মত অনুযায়ী - অত্যন্ত জরুরি শরয়ি জরুরত (যেমন: পাসপোর্ট, আইডি কার্ড, চিকিৎসা বা আইনি বাধ্যবাধকতা) ছাড়া শখ করে নিজের বা অন্য কোনো প্রাণীর ছবি তোলা, ডিজাইন করা, মোবাইলে সংরক্ষণ করা এবং Facebook, WhatsApp বা imo-এর মতো সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রোফাইল পিকচার হিসেবে দেওয়া বা পোস্ট করা সম্পূর্ণ নাজায়েজ এবং গুনাহের কাজ।

    এর কারণ হলো: ১. ইসলামে বিনোদন বা শখের বশে প্রাণীর ছবি তৈরি ও প্রদর্শনকে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। ২. সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের ছবি আপলোড করার মাধ্যমে অনেক সময় রিয়া বা লৌকিকতা ও অহংকারের সৃষ্টি হয়। ৩. এই ছবিগুলোর মাধ্যমে বেগানা নারী-পুরুষের দৃষ্টি বিনিময়ের গুনাহ হওয়ার প্রবল আশঙ্কা থাকে।

    তাই শুধুমাত্র শখ বা নিজেকে প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে নিজের ছবি ডিজাইন করে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করা, লোগো যুক্ত করা বা মোবাইলে সেভ করে রাখা থেকে বিরত থাকা একজন মুমিনের জন্য আবশ্যক।

    ১রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নির্দেশ মান্য করা ও নিষেধ থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।

    وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانتَهُوا রাসূল তোমাদেরকে যা দেন তা গ্রহণ করো এবং যা থেকে নিষেধ করেন তা থেকে বিরত থাকো। (সূরা হাশর, আয়াত: ৭) সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা: সরাসরি ছবি আঁকা বা তৈরি করার নিষেধাজ্ঞা হাদিসে এসেছে, আর কুরআনের এই আয়াতের নির্দেশ অনুযায়ী রাসূল (সা.)-এর সেই নিষেধ মান্য করা আমাদের ওপর ফরজ।

    ◆ আল-কুরআন — সূরা: সূরা হাশর — আয়াত: ৭

    ২প্রাণীর ছবি তৈরিকারীদের জন্য পরকালে কঠোর শাস্তির ঘোষণা

    عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «أَشَدُّ النَّاسِ عَذَابًا عِنْدَ اللَّهِ الْمُصَوِّرُونَ» হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, "আল্লাহর কাছে কেয়ামতের দিন সবচেয়ে কঠিন শাস্তি ভোগ করবে ছবি তৈরিকারীরা।" (সহীহ বুখারী, হাদিস নং: ৫৯৫০; সহীহ মুসলিম, হাদিস নং: ২১০৯) শরয়ি প্রয়োজন ছাড়া শখ করে ডিজিটাল ছবি তোলা বা ডিজাইন করাও অনেক ফিকহবিদদের মতে এই সতর্কবার্তার আওতায় পড়ে।

    ৩যে ঘরে বা স্থানে প্রাণীর ছবি থাকে সেখানে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না।

    عَنْ أَبِي طَلْحَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لاَ تَدْخُلُ المَلاَئِكَةُ بَيْتًا فِيهِ كَلْبٌ وَلاَ صُورَةٌ» হজরত আবু তালহা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, "রহমতের ফেরেশতারা ওই ঘরে প্রবেশ করেন না, যে ঘরে কুকুর অথবা (প্রাণীর) ছবি থাকে।" (সহীহ বুখারী, হাদিস নং: ৩৩২২) ব্যাখ্যা: প্রোফাইলে বা মোবাইলের স্ক্রিনে অপ্রয়োজনে ছবি প্রদর্শন করে রাখলে রহমতের ফেরেশতা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

    ৪প্রাণীর ছবি তৈরি করা হারাম হওয়া প্রসঙ্গে হানাফি ফিকহের

    وَظَاهِرُ كَلَامِ النَّوَوِيِّ فِي شَرْحِ مُسْلِمٍ الْإِجْمَاعُ عَلَى تَحْرِيمِ تَصْوِيرِ الْحَيَوَانِ، وَسَوَاءٌ كَانَ فِي ثَوْبٍ أَوْ بِسَاطٍ أَوْ دِرْهَمٍ أَوْ دِينَارٍ أَوْ فَلْسٍ أَوْ إِنَاءٍ أَوْ حَائِطٍ أَوْ غَيْرِهَا আল্লামা ইবনে আবিদীন শামী (রহ.) বলেন, "ইমাম নববী (রহ.)-এর মুসলিম শরীফের ব্যাখ্যার বাহ্যিক অর্থ থেকে বোঝা যায় যে, প্রাণীর ছবি তৈরি করা হারাম হওয়ার ওপর ইজমা (ঐকমত্য) প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। চাই তা কাপড়ে হোক, বিছানায় হোক, মুদ্রায় হোক, পাত্রে হোক, দেয়ালে হোক বা অন্য কোনো কিছুতে হোক।" (রদ্দুল মুহতার - শামী, খণ্ড: ১, পৃষ্ঠা: ৬৪৭) সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা: ফিকহের এই মূলনীতি অনুযায়ী প্রিন্ট বা ডিজিটাল যেকোনো মাধ্যমেই অপ্রয়োজনে প্রাণীর ছবি তৈরি করা বা ডিজাইন করা নিষিদ্ধ।

    ◆ ফাতাওয়া শামী (রদ্দুল মুহতার) — খণ্ড: ১ — পৃষ্ঠা: ৬৪৭

    ৫ঘরে বা কাছে প্রাণীর ছবি রাখা মাকরুহে তাহরীমী (হারামের কাছাকাছি)।

    وَتُكْرَهُ التَّصَاوِيرُ فِي الْبَيْتِ ... وَإِنْ كَانَتْ صَغِيرَةً لَا تَبِينُ تَفَاصِيلُ الْأَعْضَاءِ لَا تُكْرَهُ "ঘরে প্রাণীর ছবি রাখা মাকরুহ (তাহরীমী)... তবে ছবি যদি এত ছোট হয় যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিস্তারিত বোঝা যায় না, তবে তা মাকরুহ নয়।" (ফাতাওয়া হিন্দিয়া, খণ্ড: ৫, পৃষ্ঠা: ৩৫৯) অর্থাৎ প্রোফাইল পিকচার বা মোবাইলে সংরক্ষিত ছবি সাধারণত স্পষ্ট এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বোঝা যায়। তাই এগুলো সংরক্ষণ করে রাখা বা প্রদর্শন করা এই ফিকহি বিধানের আওতায় নিষিদ্ধ।

    ◆ ফাতাওয়া আলমগিরী (ফাতাওয়া হিন্দিয়া) — খণ্ড: ৫ — পৃষ্ঠা: ৩৫৯

    وَاللهُ أَعْلَمُ بِالصَّوَابِ

    —

    মুফতি, দারুল ইফতা বিভাগ

    স্বাক্ষর ও সীলমোহর

    লেটারহেড
    মুস্তাফতির নাম:শিহাব
    ঠিকানা:শ্যামসিদ্বি বালুর মাঠ, শ্রীণগর,মুন্সিগঞ্জ
    প্রশ্নের বিষয়:—
    প্রসঙ্গ:ছবি
    ফতওয়া নং:FTW-1032
    তারিখ:২৬ অক্টোবর, ২০২৬
    ই-মেইল:info@durus.bd
    প্রশ্ন السؤال

    “হুজুর, নিজের ছবি ডিজাইন করে WhatsApp/Facebook/imo-এর লোগোসহ পোস্ট করা, প্রোফাইল পিকচার হিসেবে দেওয়া এবং মোবাইলে সংরক্ষণ করা—শরিয়তের দৃষ্টিতে জায়েজ হবে কি? এতে কোনো গুনাহ হবে কি?”

    باسْمه تعالى حَامِدًا وَّمُصَلِّيًا وَّمُسَلِّمًا أَمَّا بَعْدُ

    فَالْجَوَابُ وَبِاللهِ التَّوْفِيقُ

    শরীয়তের দৃষ্টিতে প্রাণীর (মানুষ বা জীবজন্তু) ছবি বিনা প্রয়োজনে তোলা, তৈরি করা বা প্রদর্শন করা নাজায়েজ। বর্তমান সময়ের ডিজিটাল ছবি নিয়ে সমকালীন স্কলারদের মাঝে কিছুটা মতভেদ থাকলেও, ভারত উপমহাদেশের শীর্ষস্থানীয় ফিকহবিদ ও মুফতিগণের (যেমন: দারুল উলুম দেওবন্দ, হাটহাজারী ইত্যাদি) সর্বসম্মত মত অনুযায়ী - অত্যন্ত জরুরি শরয়ি জরুরত (যেমন: পাসপোর্ট, আইডি কার্ড, চিকিৎসা বা আইনি বাধ্যবাধকতা) ছাড়া শখ করে নিজের বা অন্য কোনো প্রাণীর ছবি তোলা, ডিজাইন করা, মোবাইলে সংরক্ষণ করা এবং Facebook, WhatsApp বা imo-এর মতো সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রোফাইল পিকচার হিসেবে দেওয়া বা পোস্ট করা সম্পূর্ণ নাজায়েজ এবং গুনাহের কাজ।

    এর কারণ হলো: ১. ইসলামে বিনোদন বা শখের বশে প্রাণীর ছবি তৈরি ও প্রদর্শনকে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। ২. সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের ছবি আপলোড করার মাধ্যমে অনেক সময় রিয়া বা লৌকিকতা ও অহংকারের সৃষ্টি হয়। ৩. এই ছবিগুলোর মাধ্যমে বেগানা নারী-পুরুষের দৃষ্টি বিনিময়ের গুনাহ হওয়ার প্রবল আশঙ্কা থাকে।

    তাই শুধুমাত্র শখ বা নিজেকে প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে নিজের ছবি ডিজাইন করে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করা, লোগো যুক্ত করা বা মোবাইলে সেভ করে রাখা থেকে বিরত থাকা একজন মুমিনের জন্য আবশ্যক।

    ১রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নির্দেশ মান্য করা ও নিষেধ থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।

    وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانتَهُوا রাসূল তোমাদেরকে যা দেন তা গ্রহণ করো এবং যা থেকে নিষেধ করেন তা থেকে বিরত থাকো। (সূরা হাশর, আয়াত: ৭) সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা: সরাসরি ছবি আঁকা বা তৈরি করার নিষেধাজ্ঞা হাদিসে এসেছে, আর কুরআনের এই আয়াতের নির্দেশ অনুযায়ী রাসূল (সা.)-এর সেই নিষেধ মান্য করা আমাদের ওপর ফরজ।

    ◆ আল-কুরআন — সূরা: সূরা হাশর — আয়াত: ৭

    ২প্রাণীর ছবি তৈরিকারীদের জন্য পরকালে কঠোর শাস্তির ঘোষণা

    عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «أَشَدُّ النَّاسِ عَذَابًا عِنْدَ اللَّهِ الْمُصَوِّرُونَ» হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, "আল্লাহর কাছে কেয়ামতের দিন সবচেয়ে কঠিন শাস্তি ভোগ করবে ছবি তৈরিকারীরা।" (সহীহ বুখারী, হাদিস নং: ৫৯৫০; সহীহ মুসলিম, হাদিস নং: ২১০৯) শরয়ি প্রয়োজন ছাড়া শখ করে ডিজিটাল ছবি তোলা বা ডিজাইন করাও অনেক ফিকহবিদদের মতে এই সতর্কবার্তার আওতায় পড়ে।

    ৩যে ঘরে বা স্থানে প্রাণীর ছবি থাকে সেখানে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না।

    عَنْ أَبِي طَلْحَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لاَ تَدْخُلُ المَلاَئِكَةُ بَيْتًا فِيهِ كَلْبٌ وَلاَ صُورَةٌ» হজরত আবু তালহা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, "রহমতের ফেরেশতারা ওই ঘরে প্রবেশ করেন না, যে ঘরে কুকুর অথবা (প্রাণীর) ছবি থাকে।" (সহীহ বুখারী, হাদিস নং: ৩৩২২) ব্যাখ্যা: প্রোফাইলে বা মোবাইলের স্ক্রিনে অপ্রয়োজনে ছবি প্রদর্শন করে রাখলে রহমতের ফেরেশতা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

    ৪প্রাণীর ছবি তৈরি করা হারাম হওয়া প্রসঙ্গে হানাফি ফিকহের

    وَظَاهِرُ كَلَامِ النَّوَوِيِّ فِي شَرْحِ مُسْلِمٍ الْإِجْمَاعُ عَلَى تَحْرِيمِ تَصْوِيرِ الْحَيَوَانِ، وَسَوَاءٌ كَانَ فِي ثَوْبٍ أَوْ بِسَاطٍ أَوْ دِرْهَمٍ أَوْ دِينَارٍ أَوْ فَلْسٍ أَوْ إِنَاءٍ أَوْ حَائِطٍ أَوْ غَيْرِهَا আল্লামা ইবনে আবিদীন শামী (রহ.) বলেন, "ইমাম নববী (রহ.)-এর মুসলিম শরীফের ব্যাখ্যার বাহ্যিক অর্থ থেকে বোঝা যায় যে, প্রাণীর ছবি তৈরি করা হারাম হওয়ার ওপর ইজমা (ঐকমত্য) প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। চাই তা কাপড়ে হোক, বিছানায় হোক, মুদ্রায় হোক, পাত্রে হোক, দেয়ালে হোক বা অন্য কোনো কিছুতে হোক।" (রদ্দুল মুহতার - শামী, খণ্ড: ১, পৃষ্ঠা: ৬৪৭) সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা: ফিকহের এই মূলনীতি অনুযায়ী প্রিন্ট বা ডিজিটাল যেকোনো মাধ্যমেই অপ্রয়োজনে প্রাণীর ছবি তৈরি করা বা ডিজাইন করা নিষিদ্ধ।

    ◆ ফাতাওয়া শামী (রদ্দুল মুহতার) — খণ্ড: ১ — পৃষ্ঠা: ৬৪৭

    ৫ঘরে বা কাছে প্রাণীর ছবি রাখা মাকরুহে তাহরীমী (হারামের কাছাকাছি)।

    وَتُكْرَهُ التَّصَاوِيرُ فِي الْبَيْتِ ... وَإِنْ كَانَتْ صَغِيرَةً لَا تَبِينُ تَفَاصِيلُ الْأَعْضَاءِ لَا تُكْرَهُ "ঘরে প্রাণীর ছবি রাখা মাকরুহ (তাহরীমী)... তবে ছবি যদি এত ছোট হয় যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিস্তারিত বোঝা যায় না, তবে তা মাকরুহ নয়।" (ফাতাওয়া হিন্দিয়া, খণ্ড: ৫, পৃষ্ঠা: ৩৫৯) অর্থাৎ প্রোফাইল পিকচার বা মোবাইলে সংরক্ষিত ছবি সাধারণত স্পষ্ট এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বোঝা যায়। তাই এগুলো সংরক্ষণ করে রাখা বা প্রদর্শন করা এই ফিকহি বিধানের আওতায় নিষিদ্ধ।

    ◆ ফাতাওয়া আলমগিরী (ফাতাওয়া হিন্দিয়া) — খণ্ড: ৫ — পৃষ্ঠা: ৩৫৯

    وَاللهُ أَعْلَمُ بِالصَّوَابِ

    —

    মুফতি, দারুল ইফতা বিভাগ

    স্বাক্ষর ও সীলমোহর

    আপনারও মাসআলা আছে? লিখে প্রশ্ন করুন — উত্তর পেতে ৩/৪ দিন লাগতে পারে। ইমারজেন্সি হলে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন।